ঢাকা, বাংলাদেশ ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
রূপগঞ্জে আনসার কর্মকর্তার নেতৃত্বে চুরীর চেষ্টাকারী ৪ নারী আটক, ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ মাসের কারাদণ্ড পৈতৃক সম্পত্তি দখলে বাধা দেওয়ায় নারীকে জখমের অভিযোগ রূপগঞ্জে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই জন নিহত, আহত তিন রূপগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে যুবদল নেতা নিহত রূপগঞ্জে ফ্রান্স প্রবাসীর ২৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিনতাই দিনাজপুরে মানবিক কাজের স্বীকৃতি পেলেন যুব স্বেচ্ছাসেবকরা, দেওয়া হলো সম্মাননা ও অনুদান রূপগঞ্জে গৃহকর্মী ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় যুবক গ্রেফতার দিনাজপুরে গোপালগঞ্জ পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের ১০ বছর পূর্তি উদযাপন রূপগঞ্জে পূর্বশত্রুতার জেরে যুবককে কুপিয়ে জখম গাজীপুরে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনিয়ম বন্ধে স্মারকলিপি

মৌলভীবাজারে ডিসির নির্দেশেও মিলছে না প্রতিকার ৯৯ বছরের লিজের জমি দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৮:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ৭০ বার পড়া হয়েছে
185

মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আদর্শ গ্রামে সরকারের কাছ থেকে ৯৯ বছরের জন্য বন্দোবস্ত নেওয়া ৭০ শতক খাস জমি দখল করে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের একাধিক লিখিত নির্দেশের পরও কার্যকর প্রতিকার না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মো. সজ্ঞব খান মুকিদ।

ভুক্তভোগীর দাবি, তার পিতা মৃত সদর খানের নামে মৌজা পাট অব দিনারপুর হিলস, খতিয়ান-১, দাগ নম্বর ৩৩ ও ১২-এর আওতাধীন ৭০ শতক জমি ৪৫/৯১ ও ৪৩/৯০-৯১ নম্বর বন্দোবস্তের মাধ্যমে ৯৯ বছরের জন্য লিজ নেওয়া হয়। জমির রেকর্ডে ভুল থাকায় হালনাগাদের জন্য আবেদন করার পর একই গ্রামের সাত্তানুর মিয়া ও তার ছেলে আনিস মিয়া ওই জমি দখল করে পাকা ভবন নির্মাণ করেন বলে অভিযোগ তার।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ১০ আগস্ট ২০২৫ জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেন। পরে ১৭ আগস্ট জেলা প্রশাসক স্মারক নম্বর-১৯৩১-এর মাধ্যমে সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে ১০ মার্চ ২০২৬ তারিখেও জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে পুনরায় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় বলে জানান ভুক্তভোগী।

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) তদন্ত প্রতিবেদনও দেন। ওই প্রতিবেদনে বিবাদীদের বাড়িতে প্রবেশে বাধা দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগীর। তবে অভিযোগের পরও জমি নিয়ে বিরোধের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তার অভিযোগ।

ভুক্তভোগীর আরও অভিযোগ, তার আরএস রেকর্ড হালনাগাদের ফাইল আমতৈল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আটকে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তহসিলদারের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

প্রতিকার না পেয়ে ভুক্তভোগী গত ৩ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করেছেন। পাশাপাশি তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর আওতায়ও আবেদন করা হয়েছে।

তবে জমি দখলের অভিযোগে অভিযুক্ত সাত্তানুর মিয়া ও আনিস মিয়ার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মৌলভীবাজারে ডিসির নির্দেশেও মিলছে না প্রতিকার ৯৯ বছরের লিজের জমি দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:১৮:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
185

মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আদর্শ গ্রামে সরকারের কাছ থেকে ৯৯ বছরের জন্য বন্দোবস্ত নেওয়া ৭০ শতক খাস জমি দখল করে পাকা ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের একাধিক লিখিত নির্দেশের পরও কার্যকর প্রতিকার না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী মো. সজ্ঞব খান মুকিদ।

ভুক্তভোগীর দাবি, তার পিতা মৃত সদর খানের নামে মৌজা পাট অব দিনারপুর হিলস, খতিয়ান-১, দাগ নম্বর ৩৩ ও ১২-এর আওতাধীন ৭০ শতক জমি ৪৫/৯১ ও ৪৩/৯০-৯১ নম্বর বন্দোবস্তের মাধ্যমে ৯৯ বছরের জন্য লিজ নেওয়া হয়। জমির রেকর্ডে ভুল থাকায় হালনাগাদের জন্য আবেদন করার পর একই গ্রামের সাত্তানুর মিয়া ও তার ছেলে আনিস মিয়া ওই জমি দখল করে পাকা ভবন নির্মাণ করেন বলে অভিযোগ তার।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ১০ আগস্ট ২০২৫ জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেন। পরে ১৭ আগস্ট জেলা প্রশাসক স্মারক নম্বর-১৯৩১-এর মাধ্যমে সহকারী কমিশনার (ভূমি)কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে ১০ মার্চ ২০২৬ তারিখেও জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে পুনরায় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় বলে জানান ভুক্তভোগী।

এদিকে, বিষয়টি নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) তদন্ত প্রতিবেদনও দেন। ওই প্রতিবেদনে বিবাদীদের বাড়িতে প্রবেশে বাধা দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে বলে দাবি ভুক্তভোগীর। তবে অভিযোগের পরও জমি নিয়ে বিরোধের কার্যকর সমাধান হয়নি বলে তার অভিযোগ।

ভুক্তভোগীর আরও অভিযোগ, তার আরএস রেকর্ড হালনাগাদের ফাইল আমতৈল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে আটকে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তহসিলদারের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

প্রতিকার না পেয়ে ভুক্তভোগী গত ৩ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করেছেন। পাশাপাশি তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯-এর আওতায়ও আবেদন করা হয়েছে।

তবে জমি দখলের অভিযোগে অভিযুক্ত সাত্তানুর মিয়া ও আনিস মিয়ার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।