দিনাজপুরে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তে বিজিবি
- আপডেট সময় : ০৫:১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬ ১৩২ বার পড়া হয়েছে

সবুজার রহমান, স্টাফ রিপোর্টার:
দিনাজপুর পৌর শহরের বিজিবি পরিচালিত শহীদ কর্নেল কুদরত এলাহী পাবলিক স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মাসুমা বেগমের বিরুদ্ধে সভাপতির স্বাক্ষর জালিয়াতি, স্বজনপ্রীতি, নিয়োগে অনিয়ম, খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগে ক্ষমতার অপব্যবহার, আর্থিক অনিয়ম এবং শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের পর বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে বিজিবি কর্তৃপক্ষ।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে ১১ জন নিয়মিত শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও আরও ছয়জন খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, মাত্র প্রায় ১৫০ শিক্ষার্থীর এই বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজন ছিল না। তারা অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষিকা ঘনিষ্ঠজনদের সুবিধা দিতে এসব নিয়োগ দিয়েছেন। এছাড়া এক খণ্ডকালীন শিক্ষককে সহকারী প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়ায় নিয়মিত শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি থেকে খণ্ডকালীন শিক্ষকদের সম্মানী দেওয়া হচ্ছে এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সরকারি উপবৃত্তির জন্য প্রয়োজনীয় আবেদন না করায় অনেক শিক্ষার্থী সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
প্রধান শিক্ষিকার নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা। তাদের দাবি, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা নিয়ে বিতর্ক থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় তার এমপিও সুবিধা কার্যকর করা হয়েছে।
সম্প্রতি এসব অভিযোগের পর বিদ্যালয়ের সভাপতি ও বিজিবি সেক্টর কমান্ডারের নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে কয়েকটি অভিযোগের বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে কয়েকজন সাংবাদিককে বিদ্যালয়ে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। প্রধান শিক্ষিকা মাসুমা বেগমের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, অভিযোগগুলো বর্তমানে তদন্তাধীন। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগগুলো প্রমাণিত হয়েছে বলে গণ্য করা যাবে না।










