ঢাকা, বাংলাদেশ ০১:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
রূপগঞ্জে ডাকাতের গুলিতে ব্যবসায়ী আহত রাজশাহীর বাঘায় ২ টি বিদেশি পিস্তল, ৩ টি ম্যাগাজিন এবং ৭ রাউন্ড তাজা গুলি সহ এক নারী গ্রেফতার রূপগঞ্জে ১৮৪ বোতল স্কাফসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার রূপগঞ্জে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পিং কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী রূপগঞ্জে ভাতিজাকে অপহরণের পর হত্যার দায়ে চাচার যাবজ্জীবন রূপগঞ্জে বাগানের ৩০ টি আমগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ / ৩ লাখ টাকার ক্ষতি রূপগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় দুই শিক্ষার্থীসহ তিন জনকে কুপিয়ে জখম দিনাজপুরে ডিবির অভিযানে ৩৪০ পিস ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ বৃষ্টি হলেই হাঁটুপানি, দুর্ভোগে কাশিমপুরবাসী দ্রুত ড্রেন নির্মাণকাজ শেষ করার দাবি চৈতী কম্পোজিটকে পরিবেশ দূষণের দায়ে ৭৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ

বাঘায় অধ্যক্ষের অবহেলায় ৩৯ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪০:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬ ৩৪০ বার পড়া হয়েছে
553

মো: তোফাজ্জল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৯ জনেরই এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফরম পূরণের টাকা জমা দিলেও অধ্যক্ষের চরম অবহেলায় তা সম্পন্ন না হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। পরীক্ষার মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও ৩৯ জন শিক্ষার্থী জানতে পারেন, তাদের ফরম পূরণই করা হয়নি। আরও ভয়াবহ তথ্য হলো, এই ৩৯ জনের মধ্যে ৩৪ জনের নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশনও সম্পন্ন করেনি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।

অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান জানান, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণের বিষয়টি অফিস সহকারীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। বারবার জিজ্ঞাসা করার পরও সে জানিয়েছিল সব হয়ে গেছে। ব্যক্তিগত ঝামেলার কারণে আমি নিজে বিষয়টি তদারকি করতে পারিনি।

তিনি আরও দাবি করেন যে, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ও চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত ফরম পূরণ করে জমা দিলে সমস্যার সমাধান হবে।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান জানিয়েছেন, অধ্যক্ষ সোমবার বোর্ডে এসেছিলেন কিন্তু প্রয়োজনীয় কোনো কাগজপত্র (হার্ড কপি) সঙ্গে আনেননি। তিনি বলেন, আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করা। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আগে নিশ্চিত করা হবে, এরপর তদন্ত সাপেক্ষে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরীক্ষার দোরগোড়ায় এসে এমন অনিশ্চয়তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন দরিদ্র পরিবারের এই শিক্ষার্থীরা। অনেক অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, কষ্ট করে ফরম পূরণের টাকা জোগাড় করলেও অধ্যক্ষের খামখেয়ালিতে তাদের সন্তানদের একটি বছর নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাঘায় অধ্যক্ষের অবহেলায় ৩৯ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত

আপডেট সময় : ০৬:৪০:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
553

মো: তোফাজ্জল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার কেশবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৪০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৯ জনেরই এসএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ফরম পূরণের টাকা জমা দিলেও অধ্যক্ষের চরম অবহেলায় তা সম্পন্ন না হওয়ায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।

আগামী ২১ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হতে যাচ্ছে। পরীক্ষার মাত্র কয়েক দিন বাকি থাকলেও ৩৯ জন শিক্ষার্থী জানতে পারেন, তাদের ফরম পূরণই করা হয়নি। আরও ভয়াবহ তথ্য হলো, এই ৩৯ জনের মধ্যে ৩৪ জনের নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশনও সম্পন্ন করেনি প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।

অধ্যক্ষ কামারুজ্জামান জানান, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফরম পূরণের বিষয়টি অফিস সহকারীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। বারবার জিজ্ঞাসা করার পরও সে জানিয়েছিল সব হয়ে গেছে। ব্যক্তিগত ঝামেলার কারণে আমি নিজে বিষয়টি তদারকি করতে পারিনি।

তিনি আরও দাবি করেন যে, রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক ও চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত ফরম পূরণ করে জমা দিলে সমস্যার সমাধান হবে।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক শামীম হাসান জানিয়েছেন, অধ্যক্ষ সোমবার বোর্ডে এসেছিলেন কিন্তু প্রয়োজনীয় কোনো কাগজপত্র (হার্ড কপি) সঙ্গে আনেননি। তিনি বলেন, আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ব্যবস্থা করা। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ আগে নিশ্চিত করা হবে, এরপর তদন্ত সাপেক্ষে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরীক্ষার দোরগোড়ায় এসে এমন অনিশ্চয়তায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন দরিদ্র পরিবারের এই শিক্ষার্থীরা। অনেক অভিভাবক অভিযোগ করেছেন, কষ্ট করে ফরম পূরণের টাকা জোগাড় করলেও অধ্যক্ষের খামখেয়ালিতে তাদের সন্তানদের একটি বছর নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।