রাজশাহী বাঘা চকরাজাপুর পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের উদ্যোগ, আইনশৃঙ্খলা জোরদারের আশায় এলাকাবাসী
- আপডেট সময় : ১১:২৩:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬ ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

মো: তোফাজ্জল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার প্রত্যন্ত চরাঞ্চল চকরাজাপুর ইউনিয়নে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি নতুন পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি ইউনিয়নটিতে ঘটে যাওয়া বেশ কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শনের লক্ষ্যে গত ২৭ মে (বুধবার) এলাকাটি ঘুরে দেখেন স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। পরিদর্শন দলে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান এবং রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার মো. নাঈমুল হাছান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সেরাজুল হকসহ থানার অন্যান্য কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা। পরিদর্শনকালে তারা সম্ভাব্য ফাঁড়ির স্থানটি সশরীরে ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
স্থানীয় সূত্র ও এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চকরাজাপুর ইউনিয়নটি বাঘা থানা সদর থেকে বেশ দূরে এবং চরাঞ্চল হওয়ায় কোনো অপরাধমূলক ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক আইনি সহায়তা পেতে অনেক সময় লেগে যায়। এই ভৌগোলিক দূরত্বের সুযোগ নিয়ে এলাকায় সন্ত্রাসী ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দিন দিন বাড়ছিল। সম্প্রতি চকরাজাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মুলা খামারুর ১৭৬টি গরু লুটের চেষ্টা এবং এক ব্যক্তিকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনার পর পুরো এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
পরিদর্শনকালে প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় উদ্যোক্তা ও পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। পুলিশ ফাঁড়িটি পুরোদমে চালু হলে যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নিতে পারবে। এর ফলে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমনের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের অশান্তি দূর হবে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও শান্তি ফিরে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা এবং সার্বিক কল্যান কামনা করে দোয়া করা হয়।



















