ঢাকা, বাংলাদেশ ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
রূপগঞ্জে ভাতিজাকে অপহরণের পর হত্যার দায়ে চাচার যাবজ্জীবন রূপগঞ্জে বাগানের ৩০ টি আমগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ / ৩ লাখ টাকার ক্ষতি রূপগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় দুই শিক্ষার্থীসহ তিন জনকে কুপিয়ে জখম দিনাজপুরে ডিবির অভিযানে ৩৪০ পিস ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ বৃষ্টি হলেই হাঁটুপানি, দুর্ভোগে কাশিমপুরবাসী দ্রুত ড্রেন নির্মাণকাজ শেষ করার দাবি চৈতী কম্পোজিটকে পরিবেশ দূষণের দায়ে ৭৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ রূপগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবন থেকে ৫টি পাইপগান ও ৪ কেজি ৭০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার কাশিমপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে প্রধান অভিযুক্ত কুদ্দুস গ্রেফতার, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা দিনাজপুরে ২৯ বিজিবির অভিযানে ৬ লাখ ৩৪ হাজার টাকার মাদক আটক দিনাজপুরে ৪ চোরাই মোটরসাইকেলসহ চোরাইচক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

শ্রীমঙ্গলে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে জোরপূর্বক ঘরে তোলার অভিযোগ, পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬ ৭৫ বার পড়া হয়েছে
103

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বাজারিটিলা ধোবারহাট এলাকায় তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে জোরপূর্বক ঘরে তোলা এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলে পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন সঞ্জব খাঁ মুকিদ নামে এক ব্যক্তি।
আবেদন সূত্রে জানা যায়, সঞ্জব খাঁ মুকিদের সঙ্গে তাসলিমা বেগমের বিবাহ হয়েছিল। তাদের সংসারে দুই পুত্রসন্তান রয়েছে। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, বিয়ের কিছুদিন পর তার স্ত্রী সৌদি আরবে চলে যান। প্রথম ছয় মাস যোগাযোগ থাকলেও পরবর্তী চার বছর তাদের মধ্যে কোনো যোগাযোগ ছিল না। পরে আইনগত প্রক্রিয়ায় তাদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।
লিখিত অভিযোগে তিনি দাবি করেন, গত ৩০ জুন তার প্রাক্তন স্ত্রী তাসলিমা বেগম, তার মামা করম উল্লাহ, বাবা দানা উল্লাহ ও আলমগীর নামে এক ব্যক্তি স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের সহযোগিতায় তার অনুমতি ছাড়াই জোরপূর্বক তার বাড়িতে প্রবেশ করে অবস্থান নেন। এতে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং প্রাণনাশের আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করেন।
এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে আবেদনের একটি অনুলিপি মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছেও প্রদান করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
শ্রীমঙ্গল থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্তকারী এসআই জানান, লিখিত আবেদনটি গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ভুক্তভোগীর দাবি, পূর্ব শত্রুতার জেরে একটি মহল তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে। এর মধ্যে তার স্ত্রীর অর্থে বাড়ি নির্মাণ এবং একাধিক বিয়ের মতো অভিযোগও রয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তার বরাত দিয়ে তিনি জানান, তদন্তে প্রমাণ ছাড়া কেউ মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে তাদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
ভুক্তভোগী ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শ্রীমঙ্গলে তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে জোরপূর্বক ঘরে তোলার অভিযোগ, পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন

আপডেট সময় : ০১:০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
103

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বাজারিটিলা ধোবারহাট এলাকায় তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রীকে জোরপূর্বক ঘরে তোলা এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলে পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন সঞ্জব খাঁ মুকিদ নামে এক ব্যক্তি।
আবেদন সূত্রে জানা যায়, সঞ্জব খাঁ মুকিদের সঙ্গে তাসলিমা বেগমের বিবাহ হয়েছিল। তাদের সংসারে দুই পুত্রসন্তান রয়েছে। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, বিয়ের কিছুদিন পর তার স্ত্রী সৌদি আরবে চলে যান। প্রথম ছয় মাস যোগাযোগ থাকলেও পরবর্তী চার বছর তাদের মধ্যে কোনো যোগাযোগ ছিল না। পরে আইনগত প্রক্রিয়ায় তাদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।
লিখিত অভিযোগে তিনি দাবি করেন, গত ৩০ জুন তার প্রাক্তন স্ত্রী তাসলিমা বেগম, তার মামা করম উল্লাহ, বাবা দানা উল্লাহ ও আলমগীর নামে এক ব্যক্তি স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের সহযোগিতায় তার অনুমতি ছাড়াই জোরপূর্বক তার বাড়িতে প্রবেশ করে অবস্থান নেন। এতে তিনি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েন এবং প্রাণনাশের আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করেন।
এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে আবেদনের একটি অনুলিপি মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছেও প্রদান করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
শ্রীমঙ্গল থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্তকারী এসআই জানান, লিখিত আবেদনটি গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে ভুক্তভোগীর দাবি, পূর্ব শত্রুতার জেরে একটি মহল তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালাচ্ছে। এর মধ্যে তার স্ত্রীর অর্থে বাড়ি নির্মাণ এবং একাধিক বিয়ের মতো অভিযোগও রয়েছে। তদন্তকারী কর্মকর্তার বরাত দিয়ে তিনি জানান, তদন্তে প্রমাণ ছাড়া কেউ মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে তাদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
ভুক্তভোগী ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।