ঢাকা, বাংলাদেশ ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনামঃ
রূপগঞ্জে ভাতিজাকে অপহরণের পর হত্যার দায়ে চাচার যাবজ্জীবন রূপগঞ্জে বাগানের ৩০ টি আমগাছ কেটে ফেলার অভিযোগ / ৩ লাখ টাকার ক্ষতি রূপগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় দুই শিক্ষার্থীসহ তিন জনকে কুপিয়ে জখম দিনাজপুরে ডিবির অভিযানে ৩৪০ পিস ট্যাপেন্টাডল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ বৃষ্টি হলেই হাঁটুপানি, দুর্ভোগে কাশিমপুরবাসী দ্রুত ড্রেন নির্মাণকাজ শেষ করার দাবি চৈতী কম্পোজিটকে পরিবেশ দূষণের দায়ে ৭৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ রূপগঞ্জে পরিত্যক্ত ভবন থেকে ৫টি পাইপগান ও ৪ কেজি ৭০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার কাশিমপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে প্রধান অভিযুক্ত কুদ্দুস গ্রেফতার, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা দিনাজপুরে ২৯ বিজিবির অভিযানে ৬ লাখ ৩৪ হাজার টাকার মাদক আটক দিনাজপুরে ৪ চোরাই মোটরসাইকেলসহ চোরাইচক্রের ৪ সদস্য গ্রেপ্তার

বাঘায় পুলিশ-ডিজিএফআই পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই যুবক আটক

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৮:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬ ৭৫ বার পড়া হয়েছে
102

মো. তোফাজ্জল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভার পিয়াদাপাড়া এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্ট দুই ব্যক্তি নিজেদের পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য পরিচয় দিয়ে মো. সোহেল রানা (৩০), পিতা- খোরশেদ আলীর বাড়িতে যান। অভিযোগ রয়েছে, ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তারা সেখান থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যান।
আটক ব্যক্তিরা হলেন হাসিবুল হাসান (২৬), পিতা- আনোয়ার হোসেন, গ্রামের বাড়ি চিথলিয়া, লোকমানপুর, বাগাতিপাড়া, নাটোর এবং সোহেল রানা (২৮), একই গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে। হাসিবুল নিজেকে সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। জানা গেছে, তিনি ২০২০ সালে সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে শারীরিক অসুস্থতার কারণে মেডিক্যাল বোর্ডের মাধ্যমে অব্যাহতি পান। অপর আটক সোহেল রানা পেশায় একজন চালক।
অভিযোগ অনুযায়ী, ৬ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে একই দুই ব্যক্তি আবারও ওই বাড়িতে গিয়ে নিজেদের পুলিশ ও ডিবির সদস্য পরিচয় দিয়ে আরও টাকা দাবি করেন। তাদের আচরণে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা দুইজনকে আটক করেন। পরে উত্তেজিত জনতা তাদের মারধর করলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়দের দাবি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
এ ঘটনায় পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করছে বলে জানা গেছে।
প্রকাশের আগে আটক ব্যক্তিদের পরিচয় ও অভিযোগসংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট থানার বক্তব্যের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া ভালো, কারণ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে নিশ্চিতভাবে উল্লেখ করা উচিত নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাঘায় পুলিশ-ডিজিএফআই পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই যুবক আটক

আপডেট সময় : ১০:২৮:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
102

মো. তোফাজ্জল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার:
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী পৌরসভার পিয়াদাপাড়া এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্ট দুই ব্যক্তি নিজেদের পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য পরিচয় দিয়ে মো. সোহেল রানা (৩০), পিতা- খোরশেদ আলীর বাড়িতে যান। অভিযোগ রয়েছে, ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তারা সেখান থেকে নগদ ৬০ হাজার টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যান।
আটক ব্যক্তিরা হলেন হাসিবুল হাসান (২৬), পিতা- আনোয়ার হোসেন, গ্রামের বাড়ি চিথলিয়া, লোকমানপুর, বাগাতিপাড়া, নাটোর এবং সোহেল রানা (২৮), একই গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে। হাসিবুল নিজেকে সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। জানা গেছে, তিনি ২০২০ সালে সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে শারীরিক অসুস্থতার কারণে মেডিক্যাল বোর্ডের মাধ্যমে অব্যাহতি পান। অপর আটক সোহেল রানা পেশায় একজন চালক।
অভিযোগ অনুযায়ী, ৬ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে একই দুই ব্যক্তি আবারও ওই বাড়িতে গিয়ে নিজেদের পুলিশ ও ডিবির সদস্য পরিচয় দিয়ে আরও টাকা দাবি করেন। তাদের আচরণে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা দুইজনকে আটক করেন। পরে উত্তেজিত জনতা তাদের মারধর করলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়দের দাবি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
এ ঘটনায় পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করছে বলে জানা গেছে।
প্রকাশের আগে আটক ব্যক্তিদের পরিচয় ও অভিযোগসংক্রান্ত তথ্য সংশ্লিষ্ট থানার বক্তব্যের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া ভালো, কারণ অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে নিশ্চিতভাবে উল্লেখ করা উচিত নয়।