ধূমপান নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগ বাড়ানোর আহ্বান সমাজকল্যাণমন্ত্রীর
- আপডেট সময় : ১১:১৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ৭৮ বার পড়া হয়েছে

সবুজার রহমান সবুজ, স্টাফ রিপোর্টার:
ধূমপান থেকেই ধীরে ধীরে মানুষ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ে উল্লেখ করে ধূমপান নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে দিনাজপুর জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সামাজিক অপরাধ ও মাদক নির্মূলে শুধু আইন প্রয়োগ করলেই হবে না, জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। সব ধরনের নেশার শুরু ধূমপান থেকে হতে পারে। তাই মাদক প্রতিরোধে প্রথমেই ধূমপান নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
তিনি বলেন, প্রকাশ্যে ধূমপানের জন্য জরিমানার বিধান থাকলেও এর যথাযথ প্রয়োগ হচ্ছে কি না, তা গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। মোটরসাইকেল চালানোর সময় কিংবা রাস্তার পাশে দোকানের সামনে প্রকাশ্যে ধূমপান করতে দেখা যায় অনেককে। আইন অনুযায়ী এসব কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ।
প্রকাশ্যে ধূমপানের ক্ষেত্রে ৫০, ১০০ বা ২০০ টাকা জরিমানার বিধান কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা হলে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে এবং প্রকাশ্যে ধূমপান যে আইনত অপরাধ, সে বিষয়ে ধারণা তৈরি হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মাদক নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ওয়ার্ড বা ইউনিয়ন পর্যায়ে মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করা যেতে পারে। এসব কমিটিতে জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করলে মাদক প্রতিরোধে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা সম্ভব।
সভায় বাল্যবিবাহ নিয়েও কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশে এখনো বাল্যবিবাহের প্রবণতা রয়েছে। এ সমস্যা প্রতিরোধে সামাজিকভাবে সচেতনতা বাড়াতে হবে। তরুণ-তরুণীদের ২০ বছর বয়সের আগে সন্তান না নেওয়ার বিষয়ে উৎসাহিত করা প্রয়োজন। এতে মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকবে।
জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও সরকারদলীয় হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. সাদিক রিয়াজ, দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হকসহ জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।










