রূপগঞ্জে দুই মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতি, নিত্য দিনের যানজট, ঈদে ঘর মুখর মানুষের ভোগান্তির শঙ্কা
- আপডেট সময় : ০২:২৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬ ১৬৩ বার পড়া হয়েছে

রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিবেদক :
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এশিয়ান হাইওয়ে বাইপাস ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক নির্মাণে ধীরগতি চলায় যানজট এখন নিত্যদিনের। বড় বড় গর্ত, বৃষ্টির পানিতে বালি ও পানি জমে থাকা, সড়ক খোড়াখুড়ি, একপাশ বন্ধ করে আরেক পাশ দিয়ে গাড়ি চলাচলসহ নানা কারণে এই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। এতে করে দূরপাল্লার মালবাহী, যাত্রীবাহী ও বিদেশগামী যাত্রীসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন আটকা পড়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
কোরবানির ঈদে ঘরমুখর ফেরা মানুষ ঢাকা সিলেট মহাসড়ক ও এশিয়ান হাইওয়ে বাইপাস সড়ক রূপগঞ্জ অংশে বেহাল দশার কারণে ভোগান্তি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এজন্য আগে থেকেই ভোগান্তি থেকে মুক্ত করতে সড়কগুলো সংস্কার করার দাবী জানিয়েছেন যানবাহন যাত্রী ও চালকরা।
সরে জমিনে ঘুরে দেখা যায়, এশিয়ান হাইওয়ে বাইপাস সড়কের মদনপুর হইতে গাজীপুর পর্যন্ত ৪৮ কিলোমিটার সড়ক এখন দাঁড়িয়েছে জনদুর্ভোগের মরণফাদে। এই প্রকল্পের নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।২০১৯ সালে শুরু হওয়া কাজ ২০২৪ সালের শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখনো শেষ হয়নি সড়ক নির্মাণ কাজ। সড়ক নির্মাণ কাজ ধীরগতিতে চলার কারণে ভোগান্তি দিন দিন বেড়েই চলছে।
বিশেষ করে, এ সড়কের রূপগঞ্জ অংশের চরপাড়া হতে কালাদী, নলপাথর হতে পুনাব, কাঞ্চন সেতুর উভয় পাশে, গোলাকান্দাইল হতে তালতলা পর্যন্ত বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে । নিত্যদিনের যানজটে অতিষ্ঠ যাত্রীরা। শিক্ষার্থীরা সময়মতো পৌঁছাতে পারছে না স্কুলে, চাকরিজীবীরা যেতে পারছে না তাদের কর্মস্থলে। বৃষ্টি হলে বড় বড় গর্তে পানি জমে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার কবলে পড়ছে এম্বুলেন্স প্রাইভেটকার ট্রাকসহ সকল ধরনের যানবাহন। দিন দিন বাড়ছে জনদুর্ভোগ।
ধুলাবালিতে কুয়াশাচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে সড়কটি । এতে ঠান্ডা নিউমোনিয়া শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে পথচারী, যাত্রী ও চালকরা।
এছাড়া ঢাকা সিলেট মহাসড়কের ভুলতা থেকে কাচপুর পর্যন্ত সড়কটি বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। ভাঙ্গাচুরা এ মহাসড়কে প্রতিদিনই রুপসি, বরাবো, বরপা, খাতুন, বিশ্বরোড এলাকায় যানজট লেগে থাকছে।
ঈদ যাত্রায় এই ব্যস্ত মহাসড়কে যানবাহনের চাপ আরো বাড়বে। তাই কুরবানীর ঈদে ঈদ যাত্রায় ঘরমুখর মানুষের ভোগান্তির আশঙ্কা করছেন যানবাহন চালক ও যাত্রীরা।
পূর্বাচল হাইওয়ে পুলিশ ফাড়ীর সার্জেন্ট মো:হাসেম মিয়া জানান, এই রাস্তার সংস্থার কাজ চলমান থাকায় বৃষ্টি হলে ভাঙ্গা গর্তে ভিন্ন সৃষ্টি হচ্ছে। যানজট নিরশনের জন্য আমরা সর্বদা তৎপর রয়েছি।
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম জানিয়েছেন, আমরা সড়কের জনপদ কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি যাতে দ্রুত সড়ক নির্মাণ কাজ শেষ করে সুন্দর একটি ঈদ উপহার দিতে পারি এবং গাড়ি চালকরা যাতে অধিক ভাড়া না নিতে পারে সেইদিকেও লক্ষ্য রাখছি। ঈদ যাত্রায় যাতে মানুষের ভোগান্তির শিকার না হয় সেজন্য আমাদের লোকবল বাড়ানো হবে।




















